‘ডোম-ইনো’র এমডি সালামকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

প্রতারণা ও জালিয়াতি করে মিথ্যা নকশা অনুমোদনের মাধ্যমে নির্মাণকাজ করার অভিযোগে ‘ডোম-ইনো প্রোপার্টিজ লিমিটেড’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী মো. আবদুস সালামকে দুই সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।  

আজ সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ প্রকৌশলী আবদুস সালামের জামিন আবেদন ফিরিয়ে দিয়ে এই আদেশ দেন।  

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ কে এম ফারহান, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না। আসামি পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন।  

মামলার বিবরণে জানা যায়, বনানীর আবাসিক এলাকায় জনৈক মো. সিরাজুল ইসলাম তৎকালীন ডিআইটি থেকে ১৯৭৪ সালে পাঁচ কাঠা জমি বরাদ্দ পান। তাঁর মৃত্যুর পর ওয়ারিশ সূত্রে স্ত্রী বেগম রোকেয়া ইসলাম, ছেলে মো. এনামুল হক, মো. একরামুল হক, মেয়ে আক্তার বানু ও নাহিদ আক্তার ওই প্লটের মালিক হন।

পরে ২০০৬ সালের ১৭ ডিসেম্বর ‘ডোম-ইনো প্রপার্টিজ লিমিটেড’-এর সঙ্গে ফ্ল্যাট নির্মাণের জন্য এনামুল হকের স্বাক্ষর ছাড়াই চুক্তিপত্র হয়। পরে ‘ডোম-ইনো প্রোপার্টিজ’-এর অনুকূলে আমমোক্তারনামার মাধ্যমে ক্ষমতাসহ ইমারত নির্মাণ সংক্রান্ত যাবতীয় দায়িত্ব দেন। এনামুল হক ২০০৫ থেকে ২০১০ পর্যন্ত লন্ডনে ছিলেন। কিন্তু তখন এনামুল হকের স্বাক্ষর জাল করে রাজউক থেকে নকশা অনুমোদন করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আলী আকবর পাঁচজনকে আসামি করে ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর বনানী থানার মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে জাল সিল-স্বাক্ষর ব্যবহার করে মিথ্যা নকশা অনুমোদন দেখিয়ে নির্মাণকাজ করার অভিযোগ আনা হয় বলে জানান আইনজীবী আমিন উদ্দিন মানিক।